মঙ্গলবার , ০৪ আগস্ট ২০২৬
হোমআজকের শীর্ষ সংবাদকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে

কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে

শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল
favicon
ঢাকা অফিস :-
কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে


রাজশাহী, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মওলানা ভাসানীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবশ্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে—এমন মন্তব্য করেছেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল।
ভাসানী জনশক্তি পার্টির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় চৌরঙ্গীর হলে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৫তম ওফাত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব উত্তম কুমার সেলিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ উত্তম কুমার দত্ত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মওলানা ভাসানী আজীবন সাম্রাজ্যবাদ ও শোষণ-বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি রাজনীতি করেছেন ক্ষমতার জন্য নয়, বরং কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। নিজে কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ না করলেও ক্ষমতার নিয়ন্ত্রক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী জাফর আহমদ, মজিদুর রহমান যাদু মিয়া প্রমুখ নেতাকে তৈরি করে দিয়ে মওলানা ভাসানীই বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনার পথ সুগম করেছিলেন। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, তার মৃত্যুর ৪৫ বছর পরও মওলানা ভাসানীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, মওলানা ভাসানীর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা জরুরি। গ্রামবাংলার মানুষ বিশেষ করে কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে তিনি সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি ছিলেন অসাধারণ অতিথিপরায়ণ; দেশি-বিদেশি অতিথিদের নিজ হাতে আপ্যায়ন করতেন।
সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মওলানা ভাসানী। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রাজনীতিবিদ ছিলেন, যাকে বিশ্বের বিভিন্ন নেতা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতেন। ভারতের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বক্তারা আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান মওলানা ভাসানীর হাতেগড়া নেতা ছিলেন। আজও তার দেখানো পথে চললে একটি শোষণমুক্ত, মানবিক ও স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও আমরা মওলানা ভাসানীর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারিনি। জাতীয় ঐক্য ও জনগণের প্রকৃত মতামত জানতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জরুরি। গণভোট সফল হলে মওলানা ভাসানীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব উত্তম কুমার সেলিম, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, বাবুল বিশ্বাস, বিশিষ্ট কলামিস্ট এ. নজরুল হক নান্নু, মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান তপন, বিকল্পধারা শ্রমিক পার্টির সভাপতি রতন দেওয়ান, ভাসানী নারী মুক্তি পার্টির সদস্য সাবিহা শিখা বেগম এবং বরগাছা থানা সভাপতি ইমরুল হাসান আজমী প্রমুখ।

কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
www.dailyupochar.com
২৩ জানুয়ারি ২০২৬
দৈনিক উপচার
 মঙ্গলবার , ০৪ আগস্ট ২০২৬
হোমআজকের শীর্ষ সংবাদকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে

কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে

শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল
favicon
ঢাকা অফিস :-
কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে


রাজশাহী, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মওলানা ভাসানীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবশ্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে—এমন মন্তব্য করেছেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল।
ভাসানী জনশক্তি পার্টির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় চৌরঙ্গীর হলে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৫তম ওফাত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব উত্তম কুমার সেলিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ উত্তম কুমার দত্ত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মওলানা ভাসানী আজীবন সাম্রাজ্যবাদ ও শোষণ-বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি রাজনীতি করেছেন ক্ষমতার জন্য নয়, বরং কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। নিজে কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ না করলেও ক্ষমতার নিয়ন্ত্রক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী জাফর আহমদ, মজিদুর রহমান যাদু মিয়া প্রমুখ নেতাকে তৈরি করে দিয়ে মওলানা ভাসানীই বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনার পথ সুগম করেছিলেন। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, তার মৃত্যুর ৪৫ বছর পরও মওলানা ভাসানীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, মওলানা ভাসানীর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা জরুরি। গ্রামবাংলার মানুষ বিশেষ করে কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে তিনি সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি ছিলেন অসাধারণ অতিথিপরায়ণ; দেশি-বিদেশি অতিথিদের নিজ হাতে আপ্যায়ন করতেন।
সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মওলানা ভাসানী। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রাজনীতিবিদ ছিলেন, যাকে বিশ্বের বিভিন্ন নেতা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতেন। ভারতের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বক্তারা আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান মওলানা ভাসানীর হাতেগড়া নেতা ছিলেন। আজও তার দেখানো পথে চললে একটি শোষণমুক্ত, মানবিক ও স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও আমরা মওলানা ভাসানীর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারিনি। জাতীয় ঐক্য ও জনগণের প্রকৃত মতামত জানতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জরুরি। গণভোট সফল হলে মওলানা ভাসানীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব উত্তম কুমার সেলিম, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, বাবুল বিশ্বাস, বিশিষ্ট কলামিস্ট এ. নজরুল হক নান্নু, মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান তপন, বিকল্পধারা শ্রমিক পার্টির সভাপতি রতন দেওয়ান, ভাসানী নারী মুক্তি পার্টির সদস্য সাবিহা শিখা বেগম এবং বরগাছা থানা সভাপতি ইমরুল হাসান আজমী প্রমুখ।

কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
www.dailyupochar.com
২৩ জানুয়ারি ২০২৬