পত্নীতলার ডা. ওবায়দুল হক সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের সন্তান ডা. ওবায়দুল হক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। তার এ অগ্রগতি স্থানীয়ভাবে গর্ব ও আনন্দের সঞ্চার করেছে।
ডা. ওবায়দুল হক ঘোষনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল করিমের ছেলে। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। গগনপুরের মোল্লা আতা ইয়াতিমখানায় প্রায় ১৫ বছর ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন। একইভাবে নাটোরের দিঘাপতিয়া বালিকা শিশু সদনের নানা সামাজিক কার্যক্রমেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
চিকিৎসক জীবনের শুরু থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের জন্য সেবামূল্য কম রেখেছেন। গগনপুরে ২০০০ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মাত্র ১০ টাকায় রোগী দেখা শুরু করেন।
পরবর্তীতে নজিপুর মডার্ন ক্লিনিক ও নওগাঁ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ৫০০ টাকা ভিজিটে সেবা দিয়ে আসছেন।
বর্তমানে প্রতি শুক্রবার তিনি নজিপুর মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন, যেখানে প্রতিনিয়ত বহু মানুষ তার কাছে চিকিৎসা নিয়ে উপকৃত হচ্ছেন।
ডা. ওবায়দুল হকের পদোন্নতির খবরে এলাকাবাসী, রোগী ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অভিনন্দন জানাচ্ছেন। জামগ্রাম হযরত মোল্লা আতা নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, পাশাপাশি তার কাছ থেকে চিকিৎসাসেবা পাওয়া অসংখ্য পরিবার তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষায়—“তিনি শুধু চিকিৎসক নন, মানবিকতার প্রতিচ্ছবি। তার পদোন্নতি আমাদের জন্য গর্বের।”