শুক্রবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › রামেক হাসপাতালে দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধে পুলিশ কমিশনারকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

রামেক হাসপাতালে দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধে পুলিশ কমিশনারকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :
রামেক হাসপাতালে দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধে পুলিশ কমিশনারকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি
আরএমপির মিডিয়া উইং কর্মকর্তা গাজিউর রহমানের হাতে পুলিশ কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি তুলে দিচ্ছেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

উত্তর জনপদের কোটি মানুষের প্রধান চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল ও সংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠা বেপরোয়া অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট দমন, দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ, সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার এবং নিয়মিত বিশেষ পুলিশি অভিযান পরিচালনার দাবিতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার বরাবর আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি প্রদান করেছে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদল।

স্মারকলিপিতে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বৃহত্তর রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার সংকটাপন্ন রোগী উন্নত চিকিৎসার আশায় রামেক হাসপাতালে ছুটে আসেন। তবে হাসপাতালের প্রধান ফটক, জরুরি বিভাগ ও সংলগ্ন অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অসাধু দালাল চক্র ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অসুস্থ রোগী ও তাদের বিপদগ্রস্ত স্বজনদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে এই চক্রটি প্রকাশ্যেই আর্থিক শোষণ, প্রতারণা ও নানা রকম শারীরিক-মানসিক হয়রানি চালিয়ে আসছে, যা চিকিৎসা পরিবেশকে চরমভাবে কলুষিত করছে।

নেতৃবৃন্দ আরও তুলে ধরেন, সক্রিয় দালালরা চিকিৎসাধীন রোগীদের বিভ্রান্ত ও জিম্মি করে বিভিন্ন মানহীন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত যানবাহন ব্যবহার করে কয়েকগুণ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। এমনকি অতিরিক্ত ভাড়া না দিলে মরদেহ জিম্মি করে রাখা এবং সাধারণ স্বজনদের ওপর হামলার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। এছাড়াও বাইরের কোনো বৈধ অ্যাম্বুলেন্সকে হাসপাতাল চত্বরে রোগী পরিবহনে বাধা প্রদান করা হচ্ছে, যা রোগীদের জীবনকে সরাসরি ঝুঁকিতে ফেলছে।

এই উদ্বেগজনক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি থেকে সাধারণ রোগীদের মুক্তি দিতে মহানগর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু প্রস্তাব ও দাবি প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে-হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ও দালালদের বিরুদ্ধে নিয়মিত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা, জরুরি বিভাগ ও ওয়ার্ডগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশি টহল জোরদার, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার, নির্ধারিত ভাড়ার স্পষ্ট তালিকা প্রদর্শন, পুলিশি তত্ত্বাবধানে বা অ্যাপসভিত্তিক অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু, ফিটনেসবিহীন অ্যাম্বুলেন্স জব্দ এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্যে নজরদারি বাড়িয়ে তাৎক্ষণিক হেল্পডেস্ক বা পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র চালু করা।

ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা অসহায় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শান্তিময় পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় আরএমপি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

রামেক হাসপাতালে দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধে পুলিশ কমিশনারকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
www.dailyupochar.com
৩১ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উপচার
 শুক্রবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › রাজশাহী › রামেক হাসপাতালে দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধে পুলিশ কমিশনারকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

রামেক হাসপাতালে দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধে পুলিশ কমিশনারকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

favicon
স্টাফ রিপোর্টার :
রামেক হাসপাতালে দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধে পুলিশ কমিশনারকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি
আরএমপির মিডিয়া উইং কর্মকর্তা গাজিউর রহমানের হাতে পুলিশ কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি তুলে দিচ্ছেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

উত্তর জনপদের কোটি মানুষের প্রধান চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল ও সংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠা বেপরোয়া অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট দমন, দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ, সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার এবং নিয়মিত বিশেষ পুলিশি অভিযান পরিচালনার দাবিতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার বরাবর আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি প্রদান করেছে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদল।

স্মারকলিপিতে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বৃহত্তর রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার সংকটাপন্ন রোগী উন্নত চিকিৎসার আশায় রামেক হাসপাতালে ছুটে আসেন। তবে হাসপাতালের প্রধান ফটক, জরুরি বিভাগ ও সংলগ্ন অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অসাধু দালাল চক্র ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অসুস্থ রোগী ও তাদের বিপদগ্রস্ত স্বজনদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে এই চক্রটি প্রকাশ্যেই আর্থিক শোষণ, প্রতারণা ও নানা রকম শারীরিক-মানসিক হয়রানি চালিয়ে আসছে, যা চিকিৎসা পরিবেশকে চরমভাবে কলুষিত করছে।

নেতৃবৃন্দ আরও তুলে ধরেন, সক্রিয় দালালরা চিকিৎসাধীন রোগীদের বিভ্রান্ত ও জিম্মি করে বিভিন্ন মানহীন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত যানবাহন ব্যবহার করে কয়েকগুণ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। এমনকি অতিরিক্ত ভাড়া না দিলে মরদেহ জিম্মি করে রাখা এবং সাধারণ স্বজনদের ওপর হামলার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। এছাড়াও বাইরের কোনো বৈধ অ্যাম্বুলেন্সকে হাসপাতাল চত্বরে রোগী পরিবহনে বাধা প্রদান করা হচ্ছে, যা রোগীদের জীবনকে সরাসরি ঝুঁকিতে ফেলছে।

এই উদ্বেগজনক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি থেকে সাধারণ রোগীদের মুক্তি দিতে মহানগর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু প্রস্তাব ও দাবি প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে-হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ও দালালদের বিরুদ্ধে নিয়মিত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা, জরুরি বিভাগ ও ওয়ার্ডগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশি টহল জোরদার, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার, নির্ধারিত ভাড়ার স্পষ্ট তালিকা প্রদর্শন, পুলিশি তত্ত্বাবধানে বা অ্যাপসভিত্তিক অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু, ফিটনেসবিহীন অ্যাম্বুলেন্স জব্দ এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্যে নজরদারি বাড়িয়ে তাৎক্ষণিক হেল্পডেস্ক বা পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র চালু করা।

ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা অসহায় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শান্তিময় পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় আরএমপি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

রামেক হাসপাতালে দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধে পুলিশ কমিশনারকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
www.dailyupochar.com
৩১ আগস্ট ২০২৬