খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট জাতীয়করণের দাবিতে স্মারকলিপি
খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউটকে জাতীয়করণ এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূতকরণের দাবিতে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসরে অবস্থিত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২০২৫ উদযাপন শেষে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মতিউর রহমান, ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল ড. জিললুর রহমান বিপ্লব, ডেপুটি ডাইরেক্টর মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার মো. ফারুক হোসেন, অ্যাডমিন কর্মকর্তা মো. রহমত আলী ও মোসা পপি খাতুন, নিম্নমান সহকারী মোসা মিনু আক্তার, সহকারী ক্যাম্পাস সুপারভাইজার আবুল হাসান, মাবিয়া মায়াসহ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট শিক্ষা, গবেষণা ও মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। নিয়মিতভাবে “দ্রোহী জার্নাল” প্রকাশের মাধ্যমে গবেষণা ও চিন্তাচর্চায় প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা বলেন, উচ্চশিক্ষাকে যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এখানে পর্যায়ক্রমে ৩০টি বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিভাগের জন্য আধুনিক পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস প্রণয়নের কাজ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে চলমান রয়েছে।
তারা আরও বলেন, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নিয়মিত প্রকাশনার মাধ্যমে দেশ ও মানবতার কল্যাণে অবদান রাখাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ ও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূত করা হলে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে উঠবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অবকাঠামো ও পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস রয়েছে, যা আগামী অন্তত পাঁচ বছর পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত ভবন নির্মাণ ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী। ফলে এই সময়কালে সরকারের কোনো অতিরিক্ত অবকাঠামোগত ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জাতীয়করণ, পরিবহন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারিভাবে বেতন-ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে মানবসম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি রাষ্ট্রও উপকৃত হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসরে অবস্থিত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২০২৫ উদযাপন শেষে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মতিউর রহমান, ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল ড. জিললুর রহমান বিপ্লব, ডেপুটি ডাইরেক্টর মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার মো. ফারুক হোসেন, অ্যাডমিন কর্মকর্তা মো. রহমত আলী ও মোসা পপি খাতুন, নিম্নমান সহকারী মোসা মিনু আক্তার, সহকারী ক্যাম্পাস সুপারভাইজার আবুল হাসান, মাবিয়া মায়াসহ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট শিক্ষা, গবেষণা ও মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। নিয়মিতভাবে “দ্রোহী জার্নাল” প্রকাশের মাধ্যমে গবেষণা ও চিন্তাচর্চায় প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা বলেন, উচ্চশিক্ষাকে যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এখানে পর্যায়ক্রমে ৩০টি বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিভাগের জন্য আধুনিক পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস প্রণয়নের কাজ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে চলমান রয়েছে।
তারা আরও বলেন, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নিয়মিত প্রকাশনার মাধ্যমে দেশ ও মানবতার কল্যাণে অবদান রাখাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ ও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূত করা হলে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে উঠবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অবকাঠামো ও পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস রয়েছে, যা আগামী অন্তত পাঁচ বছর পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত ভবন নির্মাণ ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী। ফলে এই সময়কালে সরকারের কোনো অতিরিক্ত অবকাঠামোগত ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জাতীয়করণ, পরিবহন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারিভাবে বেতন-ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে মানবসম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি রাষ্ট্রও উপকৃত হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।