সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে ইসি’র যে প্রস্তুতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আগামী ১২ই মে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরই মধ্যে নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমার কাজ শুরু হয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হচ্ছে আগামী ২১শে এপ্রিল। ইসি সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৩ শতাধিক প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে জমা দিয়েছেন মাত্র দু’জন। এদিকে এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদ সদস্যদের (এমপি) স্বাক্ষরের তালিকা সংসদ সচিবালয়কে দিতে বলেছে ইসি। এ ছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্য যাচাইয়ের সুবিধার্থে সাজাপ্রাপ্তদের তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে ইসি। অন্যদিকে বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিল খেলাপিদের তথ্য চেয়েছে সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানটি। ইসি’র কর্মকর্তারা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে সংসদ সদস্যদের (এমপি) স্বাক্ষরের তালিকা সংসদ সচিবালয়ের কাছে চাওয়া হয়েছে। গতকাল এ সংক্রান্ত চিঠিও পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২১শে এপ্রিল। দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ২২-২৩শে এপ্রিল বাছাই করা হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আগামী ১২ই মে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরই মধ্যে নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমার কাজ শুরু হয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হচ্ছে আগামী ২১শে এপ্রিল। ইসি সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৩ শতাধিক প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে জমা দিয়েছেন মাত্র দু’জন। এদিকে এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদ সদস্যদের (এমপি) স্বাক্ষরের তালিকা সংসদ সচিবালয়কে দিতে বলেছে ইসি। এ ছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্য যাচাইয়ের সুবিধার্থে সাজাপ্রাপ্তদের তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে ইসি। অন্যদিকে বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিল খেলাপিদের তথ্য চেয়েছে সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানটি। ইসি’র কর্মকর্তারা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে সংসদ সদস্যদের (এমপি) স্বাক্ষরের তালিকা সংসদ সচিবালয়ের কাছে চাওয়া হয়েছে। গতকাল এ সংক্রান্ত চিঠিও পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২১শে এপ্রিল। দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ২২-২৩শে এপ্রিল বাছাই করা হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ১২ অনুচ্ছেদের (ঢ) দফা অনুসারে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়া বা সংসদ সদস্য পদে থাকার অযোগ্য হবেন- যদি তিনি মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনের আগে সরকারি টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা অন্য কোনো সেবাদানকারী সংস্থার বিল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন। এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের অযোগ্য ঘোষণার সুবিধার্থে সাজাপ্রাপ্তদের তথ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সরবরাহ করতে বলা হয়েছে ইসি’র পক্ষ থেকে। গত বুধবার এ সংক্রান্ত চিঠি মন্ত্রণালয়কে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২১শে এপ্রিল। দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ২২-২৩ এপ্রিল বাছাই করা হবে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোনো ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং তার মুক্তি লাভের পর পাঁচ বছরকাল অতিবাহিত না হয়ে থাকলে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার বা সংসদ সদস্য পদে থাকার অযোগ্য হবেন।
৩৭৫ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে গত ৯ দিনে বিএনপিসহ তিনটি রাজনৈতিক দলের মোট ৩৭৫ জন ইসি থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। ইসি কর্মকর্তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ৩৬১ জন বিএনপি, ১৩ জন জামায়াতে ইসলামী এবং একজন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত মাত্র দু’জন তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রিটার্নিং অফিসার ও ইসি যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দিন খান জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত মাত্র দু’টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
ইসি গত ৮ই এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ই মে ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২১শে এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হবে ২২ ও ২৩শে এপ্রিল।
আপিল দাখিল করা যাবে ২৬শে এপ্রিল এবং আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে ২৭ ও ২৮শে এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ ও ৩০শে এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, বিএনপি ও তার জোট ৩৬টি আসন পাবে। এই জোটে রয়েছে গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)। জামায়াতে ইসলামী ও তার শরিক দলগুলো- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং খেলাফত মজলিস পাবে ১৩টি আসন। ছয়জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য একটি জোট গঠন করেছেন এবং তারা একটি আসন পাবেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) কোনো জোটে নেই। পাশাপাশি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাও জোটে যোগ না দেয়ার কথা জানিয়েছেন।
ইসি গত ৬ই এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ করে। তালিকা অনুযায়ী, ২৯৮ জন সংসদ সদস্য ভোট দিতে পারবেন। জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত নারী আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী, সাধারণ আসন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ইসিকে এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দিন গেজেট প্রকাশ পায়। ওই নির্বাচনে ৫০টি দল অংশ নিলেও মাত্র ৯টি দল আসন পায়। জাতীয় পার্টিসহ ৪১টি দল কোনো আসন পায়নি। আইন অনুযায়ী, ৩০০টি সাধারণ আসনের ফলাফলের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন করা হয়। প্রতিটি দল বা জোট কতোটি আসন পাবে, তা তাদের জেতা সাধারণ আসনের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।