শনিবার , ০৬ জুন ২০২৬
হোমরাজশাহীতানোরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু

তানোরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু

favicon
মোঃমনিরুজ্জামান,তানোর প্রতিনিধিঃ
তানোরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু

রাজশাহীর তানোরে পিডিবি (নেসকোর) সংযোগকৃত  দুলালের ভাসমান সেচ মটর ও বিএমডিএর গভীর নলকূপের  বিদ্যুৎ খুটির তার গত বৃহস্পতিবার বিকেলের  ঝড়ে ছিড়ে বিলের জমিতে পড়ে যায়।   নেসকো পিডিবির সেচ মটর ও গভীর নলকূপের ছিড়ে যাওয়া অরক্ষিত বিদ্যুতের তারে পৃষ্ঠ হয়ে কৃষকের ৭ টি গরু ও ২টি শিয়ালের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল প্রায় ১০ টার দিকে তানোর টু চৌবাড়িয়া রাস্তা ও লবিয়তলা ব্রীজের পূর্ব দিকে তালন্দ ইউনিয়নের বিল দেউলা মৌজায় এবং খালের দক্ষিণে বিলের ফাকা জমিতে   ঘটে গরু মৃত্যুর ঘটনাটি। কৃষকের গৃহপালিত গরুর এমন মৃত্যুতে চরম ভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন গরুর মালিকরা। সেই সাথে নেসকোর এমন খাম খেয়ালী পনার জন্য ক্ষতি পুরুনের জোর দাবি তুলেছেন। কারন নেসকো ও মটর মালিক এবং গভীর নলকূপ কর্তৃপক্ষের  অবহেলার কারনে একসাথে এত গরুর মৃত্যু হয়েছে। কোনভাবেই নেসকো সহ সংশ্লিষ্টরা দায় এড়াতে পারেনা বলে মনে করছেন গরুর মালিকরা। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উঠেছে সংশ্লিষ্টদের  শাস্তির দাবি। 

প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলেই ৭ টি গরুর মরদেহ পড়ে আছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, তানোর টু চৌবাড়িয়া রাস্তার তালন্দ বাজার পার  হয়ে মুল রাস্তা সংলগ্ন  পূর্ব দিকে রয়েছে পুকুর। পুকুর থেকে খাল পর্যন্ত প্রায় সাত আটটি খুটির মাধ্যমে পিডিবি নেসকো কর্তৃপক্ষ মটর ও গভীর নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যুতের খুটিগুলো হেলে আছে। গত বৃহস্পতিবারের ঝড়ে হেলে পড়া খুটি থেকে তার ছিড়ে পড়ে জমিতে। ছিড়ে পড়া তারে জমি বিদ্যুতায়িত হয়ে থাকে। শুক্রবার ঘাস খাওয়ানোর জন্য গরু ছেড়ে দেয়া হয়। ছিড়ে পড়া তার যে সব জমিতে ছিল গরু যাওয়া মাত্রই মারা যায়।


জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ঝড় ও বৃষ্টি হয়। ঝড়ে লবিয়তলা ব্রীজের পূর্ব দিকে নেসকোর বিদ্যুৎ লাইনের পুলের তার ছিড়ে যায়। তানোরে নেসকোর সেচ যন্ত্রের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু  ওইসব এলাকা বিদ্যুতায়িত হয়ে থাকে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এমন অবস্থা হয়ে থাকলেও নেসকো কর্তৃপক্ষ কোন তদারকি করেনি। যার কারনে একসাথে এত গরু মারা গেছে।

গরুর মালিক শ্রীমতি তপু বালা জানান, মাঠ থেকে ধান কাটার পর থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গরুকে ঘাস খাওয়ানো হয়। সে মোতাবেক শুক্রবার আমার ২ টি গরু নিয়ে যায় মাঠে। মাঠে গরু ঘাস খেতে খেতে মারা যায়।

তার স্বামীর নাম সুনীল মন্ডল। রমনী কান্তের স্ত্রী সুধাধারীর ১ টি, জিতেনের ১ টি, গীতার ১ টি। তাদের সবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী হরিদেবপুর গ্রামে। এছাড়াও সুমাসপুর গ্রামের মোজাফফর হোসেনের ১ টি ও একই গ্রামের মনজুর রহমানের ১টি গরু মারা বিদ্যুতের তারে মারা যায়। 

গরুর মালিক  রমনী, সুধাধারী, জিতেন, মোজাফফর ও মুনজুর জানান, ওই সব জমিতে বোরো ধান ছিল। ধান কাটার পর জমিগুলোতে ঘাস বের হয়েছে। প্রতিদিনের ন্যায় গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। গরু ঘাস খেতে খেতে তার পড়ে থাকা জমিতে যাওয়া মাত্রই পড়ে যায়। পরপর সাতটি গরু পড়ে মারা যায়। স্থানীয়রা বিদ্যুৎ অফিস কে ফোন দিলে তারা এসে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। গরুগুলো মরা অবস্থায় জমিতেই পড়ে রয়েছে। শুধু গরু না দুটি শিয়ালও মারা গেছে। আমরা গরীব অসহায়। গরু আমাদের শেষ সম্বল। গরু লালন পালন করে সংসার পরিচালনা করা হয়। নিমিষেই সব শেষ হয়ে গেল। ঝড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের তার ছিড়ে যাওয়ার পরও কোন তদারকি করা হয়নি। যদি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকত তাহলে গরুগুলো মারা যেতনা।

 

স্থানীয়রা জানান, এখন বর্ষা মৌসুম। প্রায় দিন ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। ভাসমান মটর ও গভীর নলকূপ থেকে সেচের প্রয়োজন নাই। তাহলে কেন সংযোগ রাখা হয়েছে। যেহেতু এসব লাইন থেকে বাড়িতে সংযোগ নাই। আবার বোরো মৌসুম এলে সেচের প্রয়োজন হবে। তাহলে গত বৃহস্পতিবার ঝড় বৃষ্টিতে তার ছিঁড়ে পড়ে আছে। কারো কোন মাথা ব্যাথা ছিল না। পিডিবি ও মটর মালিক এবং গভীর নলকূপ কর্তৃপক্ষ কোনভাবেই দায় এড়াতে পারেনা।


তানোর উপজেলার নেসকোর  আবাসিক প্রকৌশলী আলী রিয়াজ বলেন, গত বৃহস্পতিবার ঝড়ে তার ছিড়ে যাওয়ার বিষয়ে কেউ সংবাদ দেয়নি। মুল লাইনের তার ছিড়েনি। মিটার থেকে ভাসমান মটর ও গভীর নলকূপে সংযোগ দেয়া আছে। ওই সংযোগের তার ছিড়ে জমিতে পড়ে ছিল। তিনি আরো জানান, বাসা বাড়িতে সংযোগ থাকলে গ্রাহকরা সংবাদ দিত। আবার এখন সেচ মৌসুম না। সেচ মৌসুম হলে মটর মালিক বা গভীর নলকূপ কর্তৃপক্ষ অবহিত করত। গরু মালিকরা কি ক্ষতি পুরুন পাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের এমন নিয়ম নেই। মুল লাইন থেকে ৫০০ ভোল্টের লাইন ছিল।


তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস,এম মাসুদ পারভেজ বলেন, গরুর মালিকরা কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ  দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও নাঈমা খান জানান, আমি সংবাদ পাওয়ার পর  নেসকো কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ব্যবস্থা করা হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও  গরুর মালিকদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তানোরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
www.dailyupochar.com
০৫ জুন ২০২৬
দৈনিক উপচার
 শনিবার , ০৬ জুন ২০২৬
হোমরাজশাহীতানোরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু

তানোরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু

favicon
মোঃমনিরুজ্জামান,তানোর প্রতিনিধিঃ
তানোরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু

রাজশাহীর তানোরে পিডিবি (নেসকোর) সংযোগকৃত  দুলালের ভাসমান সেচ মটর ও বিএমডিএর গভীর নলকূপের  বিদ্যুৎ খুটির তার গত বৃহস্পতিবার বিকেলের  ঝড়ে ছিড়ে বিলের জমিতে পড়ে যায়।   নেসকো পিডিবির সেচ মটর ও গভীর নলকূপের ছিড়ে যাওয়া অরক্ষিত বিদ্যুতের তারে পৃষ্ঠ হয়ে কৃষকের ৭ টি গরু ও ২টি শিয়ালের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল প্রায় ১০ টার দিকে তানোর টু চৌবাড়িয়া রাস্তা ও লবিয়তলা ব্রীজের পূর্ব দিকে তালন্দ ইউনিয়নের বিল দেউলা মৌজায় এবং খালের দক্ষিণে বিলের ফাকা জমিতে   ঘটে গরু মৃত্যুর ঘটনাটি। কৃষকের গৃহপালিত গরুর এমন মৃত্যুতে চরম ভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন গরুর মালিকরা। সেই সাথে নেসকোর এমন খাম খেয়ালী পনার জন্য ক্ষতি পুরুনের জোর দাবি তুলেছেন। কারন নেসকো ও মটর মালিক এবং গভীর নলকূপ কর্তৃপক্ষের  অবহেলার কারনে একসাথে এত গরুর মৃত্যু হয়েছে। কোনভাবেই নেসকো সহ সংশ্লিষ্টরা দায় এড়াতে পারেনা বলে মনে করছেন গরুর মালিকরা। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উঠেছে সংশ্লিষ্টদের  শাস্তির দাবি। 

প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলেই ৭ টি গরুর মরদেহ পড়ে আছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, তানোর টু চৌবাড়িয়া রাস্তার তালন্দ বাজার পার  হয়ে মুল রাস্তা সংলগ্ন  পূর্ব দিকে রয়েছে পুকুর। পুকুর থেকে খাল পর্যন্ত প্রায় সাত আটটি খুটির মাধ্যমে পিডিবি নেসকো কর্তৃপক্ষ মটর ও গভীর নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যুতের খুটিগুলো হেলে আছে। গত বৃহস্পতিবারের ঝড়ে হেলে পড়া খুটি থেকে তার ছিড়ে পড়ে জমিতে। ছিড়ে পড়া তারে জমি বিদ্যুতায়িত হয়ে থাকে। শুক্রবার ঘাস খাওয়ানোর জন্য গরু ছেড়ে দেয়া হয়। ছিড়ে পড়া তার যে সব জমিতে ছিল গরু যাওয়া মাত্রই মারা যায়।


জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ঝড় ও বৃষ্টি হয়। ঝড়ে লবিয়তলা ব্রীজের পূর্ব দিকে নেসকোর বিদ্যুৎ লাইনের পুলের তার ছিড়ে যায়। তানোরে নেসকোর সেচ যন্ত্রের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু  ওইসব এলাকা বিদ্যুতায়িত হয়ে থাকে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এমন অবস্থা হয়ে থাকলেও নেসকো কর্তৃপক্ষ কোন তদারকি করেনি। যার কারনে একসাথে এত গরু মারা গেছে।

গরুর মালিক শ্রীমতি তপু বালা জানান, মাঠ থেকে ধান কাটার পর থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গরুকে ঘাস খাওয়ানো হয়। সে মোতাবেক শুক্রবার আমার ২ টি গরু নিয়ে যায় মাঠে। মাঠে গরু ঘাস খেতে খেতে মারা যায়।

তার স্বামীর নাম সুনীল মন্ডল। রমনী কান্তের স্ত্রী সুধাধারীর ১ টি, জিতেনের ১ টি, গীতার ১ টি। তাদের সবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী হরিদেবপুর গ্রামে। এছাড়াও সুমাসপুর গ্রামের মোজাফফর হোসেনের ১ টি ও একই গ্রামের মনজুর রহমানের ১টি গরু মারা বিদ্যুতের তারে মারা যায়। 

গরুর মালিক  রমনী, সুধাধারী, জিতেন, মোজাফফর ও মুনজুর জানান, ওই সব জমিতে বোরো ধান ছিল। ধান কাটার পর জমিগুলোতে ঘাস বের হয়েছে। প্রতিদিনের ন্যায় গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। গরু ঘাস খেতে খেতে তার পড়ে থাকা জমিতে যাওয়া মাত্রই পড়ে যায়। পরপর সাতটি গরু পড়ে মারা যায়। স্থানীয়রা বিদ্যুৎ অফিস কে ফোন দিলে তারা এসে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। গরুগুলো মরা অবস্থায় জমিতেই পড়ে রয়েছে। শুধু গরু না দুটি শিয়ালও মারা গেছে। আমরা গরীব অসহায়। গরু আমাদের শেষ সম্বল। গরু লালন পালন করে সংসার পরিচালনা করা হয়। নিমিষেই সব শেষ হয়ে গেল। ঝড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের তার ছিড়ে যাওয়ার পরও কোন তদারকি করা হয়নি। যদি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকত তাহলে গরুগুলো মারা যেতনা।

 

স্থানীয়রা জানান, এখন বর্ষা মৌসুম। প্রায় দিন ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। ভাসমান মটর ও গভীর নলকূপ থেকে সেচের প্রয়োজন নাই। তাহলে কেন সংযোগ রাখা হয়েছে। যেহেতু এসব লাইন থেকে বাড়িতে সংযোগ নাই। আবার বোরো মৌসুম এলে সেচের প্রয়োজন হবে। তাহলে গত বৃহস্পতিবার ঝড় বৃষ্টিতে তার ছিঁড়ে পড়ে আছে। কারো কোন মাথা ব্যাথা ছিল না। পিডিবি ও মটর মালিক এবং গভীর নলকূপ কর্তৃপক্ষ কোনভাবেই দায় এড়াতে পারেনা।


তানোর উপজেলার নেসকোর  আবাসিক প্রকৌশলী আলী রিয়াজ বলেন, গত বৃহস্পতিবার ঝড়ে তার ছিড়ে যাওয়ার বিষয়ে কেউ সংবাদ দেয়নি। মুল লাইনের তার ছিড়েনি। মিটার থেকে ভাসমান মটর ও গভীর নলকূপে সংযোগ দেয়া আছে। ওই সংযোগের তার ছিড়ে জমিতে পড়ে ছিল। তিনি আরো জানান, বাসা বাড়িতে সংযোগ থাকলে গ্রাহকরা সংবাদ দিত। আবার এখন সেচ মৌসুম না। সেচ মৌসুম হলে মটর মালিক বা গভীর নলকূপ কর্তৃপক্ষ অবহিত করত। গরু মালিকরা কি ক্ষতি পুরুন পাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের এমন নিয়ম নেই। মুল লাইন থেকে ৫০০ ভোল্টের লাইন ছিল।


তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস,এম মাসুদ পারভেজ বলেন, গরুর মালিকরা কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ  দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও নাঈমা খান জানান, আমি সংবাদ পাওয়ার পর  নেসকো কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ব্যবস্থা করা হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও  গরুর মালিকদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তানোরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ৭ টি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু
◀ বিস্তারিত কমেন্ট ▶
www.dailyupochar.com
০৫ জুন ২০২৬